Monday, November 12, 2018

Smritir Patai Onkonchitro Short Film stories

Smritir Patai Onkonchitro Short Film stories প্লটঃ   ধানমন্ডি এলাকায়, রাস্তার দুই পাশে দুইটি ফ্ল্যাট থাকবে।দুটো ফ্ল্যাটই ২য় তলায় থাকবে। একটি ফ্ল্যাটের বেলকনি থেকে অন্য ফ্ল্যাটের বেলকনির সবকিছু দেখা যাবে। তবে ভিতরের কিছু দেখা যাবেনা। একটি ফ্ল্যাটে একজন চিত্রশিল্পী থাকেন একা। বয়স ৩৫ হবে। অন্য ফ্ল্যাটে থাকেন একজন বৃদ্ধা দাদী তার নাতনীকে(সাবিনা) নিয়ে। তার বয়স ষাটের কাছাকাছি হবে। আর সাবিনার বয়স ৫ বছর হবে। একদিন মেয়েটির মা আসবে হঠাৎ তাদেরকে দেখতে। তখনি সাবিনার মা চিত্রশিল্পীকে দেখতে পাবে। উনি ছুটি ছাড়া বাড়িতে থাকতে পাবেন না। একদিন সাবিনা তার বিড়ালটি নিয়ে রাস্তায় খেলা করবে। তখনি চিত্রশিল্পী ( কামরুল হাসান) রাস্তা  থেকে বাড়িতে ঢুকবেন। এমন সময় তারা দুই জনে কথা বলবে। তাদের পরিচয় হবে। আরেক দিন বেলকনিতে তাদের কথা হবে। পরের দিন রাস্তায় তাদের দেখা হবে এবং কথা হবে চিত্র নিয়ে। এবার কামরুল হাসান তাকে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে তার এবং বিড়ালটির চিত্র আর্ট করে দিবে। সাবিনা এগুলো তার দাদী ও আম্মুকে দেখাবে। প্রথম দিকে হতবুদ্ধি ও হতাশ হলেও পরে তাদের বন্ধুত্ব দেখে দাদী কামরুল হাসানকে সাবিনার হাত দিয়ে ডেকে পাঠাবে। সাবিনা খুব দ্রুত কামরুল হাসান এর ফ্ল্যাটে যাবার সময় কার দুর্ঘটনা করবে। কামরুল হাসান নিচে নেমে এসে সাবিনা ও বিড়ালটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে জোরে চিৎকার দিবে। লোকজন আসবে।পরে দেখা যাবে সাবিনাদের বাড়িতে সাবিনার ও্ বিড়ালটির চিত্র দেয়ালে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে ।আর সাবিনার আম্মু ঠিক চিত্র দুটোর  কাছ থেকে সেগুলো দেখবে আর তার চোখ দিয়ে আশ্রু ঝরবে।
স্মৃতির পাতায় অঙ্কনচিত্র_Short Film stories_BD Films Info

প্লটঃ
ধানমন্ডি এলাকায়, রাস্তার দুই পাশে দুইটি ফ্ল্যাট থাকবে।দুটো ফ্ল্যাটই ২য় তলায় থাকবে। একটি ফ্ল্যাটের বেলকনি থেকে অন্য ফ্ল্যাটের বেলকনির সবকিছু দেখা যাবে। তবে ভিতরের কিছু দেখা যাবেনা। একটি ফ্ল্যাটে একজন চিত্রশিল্পী থাকেন একা। বয়স ৩৫ হবে। অন্য ফ্ল্যাটে থাকেন একজন বৃদ্ধা দাদী তার নাতনীকে(সাবিনা) নিয়ে। তার বয়স ষাটের কাছাকাছি হবে। আর সাবিনার বয়স ৫ বছর হবে। একদিন মেয়েটির মা আসবে হঠাৎ তাদেরকে দেখতে। তখনি সাবিনার মা চিত্রশিল্পীকে দেখতে পাবে। উনি ছুটি ছাড়া বাড়িতে থাকতে পাবেন না। একদিন সাবিনা তার বিড়ালটি নিয়ে রাস্তায় খেলা করবে। তখনি চিত্রশিল্পী ( কামরুল হাসান) রাস্তা  থেকে বাড়িতে ঢুকবেন। এমন সময় তারা দুই জনে কথা বলবে। তাদের পরিচয় হবে। আরেক দিন বেলকনিতে তাদের কথা হবে। পরের দিন রাস্তায় তাদের দেখা হবে এবং কথা হবে চিত্র নিয়ে। এবার কামরুল হাসান তাকে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে তার এবং বিড়ালটির চিত্র আর্ট করে দিবে। সাবিনা এগুলো তার দাদী ও আম্মুকে দেখাবে। প্রথম দিকে হতবুদ্ধি ও হতাশ হলেও পরে তাদের বন্ধুত্ব দেখে দাদী কামরুল হাসানকে সাবিনার হাত দিয়ে ডেকে পাঠাবে। সাবিনা খুব দ্রুত কামরুল হাসান এর ফ্ল্যাটে যাবার সময় কার দুর্ঘটনা করবে। কামরুল হাসান নিচে নেমে এসে সাবিনা ও বিড়ালটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে জোরে চিৎকার দিবে। লোকজন আসবে।পরে দেখা যাবে সাবিনাদের বাড়িতে সাবিনার ও্ বিড়ালটির চিত্র দেয়ালে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে ।আর সাবিনার আম্মু ঠিক চিত্র দুটোর  কাছ থেকে সেগুলো দেখবে আর তার চোখ দিয়ে আশ্রু ঝরবে।

SHARE THIS

0 comments:

Write a comment